ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ঢাকা, স্পষ্ট হচ্ছে বড় বিপদ 

Date:

Dhaka at Highest Risk of a Major Earthquake — Growing Signs of a Big Disaster

ঢাকা, বাংলাদেশের রাজধানী, ভূমিকম্প-ঝুঁকিতে অত্যন্ত সংবেদনশীল এলাকায় অবস্থিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, শহরটির ভূগোলগত গঠন, মাটি ও দ্রুত নগরায়ন এই ঝুঁকিটিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। The Daily Star+2The Daily Star+2

রাজউক ও জরুরি ব্যবস্থাপনা গবেষণা অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের মাটি “লিক্যুফায়েশন-সংবেদনশীল” হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে — এর অর্থ ভূমিকম্পের সময় মাটি তরল হয়ে যেতে পারে, যা ভবন ধরন গঠনকে মারাত্মকভাবে ঝুঁকিতে ফেলে। BMDF Portal+1

আবার, এনভায়রনমেন্ট ও নগর পরিকল্পনায় ত্রুটি এবং গড়পড়তা মানের নির্মাণ অধরায় রয়েছে। অনেক ভবন স্থানীয় গুণগত নিরাপত্তা মান অনুযায়ী তৈরি নয়, যা বড় ভূমিকম্পে ধ্বংসের সম্ভাবনা বাড়ায়। The Daily Star+1

এই সব বিপদকে সামনে রেখে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন — যদি রাজধানীতে শক্তিশালী কম্পন আসে, তাহলে ফলস্বরূপ প্রধান অবকাঠামোগত ধ্বংস, জনহানি এবং আর্থিক লোকসান হতে পারে। The Daily Star+1


🔍 গাবেশক (গবেষক) পরামর্শ ও প্রস্তুতি

  1. ঝুঁকি-ভিত্তিক মানচিত্র নির্মাণ
    গবেষকরা বলছেন, জরুরি ঝুঁকি মানচিত্র তৈরি করা উচিত যা ঢাকার “লিক্যুফায়েশন-ঝুঁকিপূর্ণ” এলাকায় ভিত্তি করে। bdnews24.com
  2. ভবন মেরামত ও রিট্রোফিট
    দুর্বল বা পুরাতন ভবনগুলোর জন্য জরুরি “রিট্রোফিটিং” প্রক্রিয়া চালু করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবনগুলোকে শক্তিশালী ফাউন্ডেশন ও কম্পন-প্রতিরোধী ডিজাইনে রূপান্তর করা যেতে পারে। The Daily Star
  3. নিয়মকানুন ও ভবন কোড প্রয়োগ শক্তিশালী করা
    নির্মাণ আইন ও বাংলাদেশের বিল্ডিং কোড (BNBC) কঠোরভাবে প্রয়োগ করা দরকার। অনুমোদনহীন বা নিম্নমানের নির্মাণ দমনে তদারকি বাড়াতে হবে। The Daily Star
  4. জরুরি যোগাযোগ ও উদ্ধার পরিকল্পনা
    ঢাকা শহরে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ নেটওয়ার্কগুলোর পুনরায় পরিকল্পনা ও সুরক্ষা প্রদান করা আবশ্যক। উদ্ধার পথ (evacuation route) এবং মাতৃকরণ (assembly point) মানচিত্র তৈরি ও জনসাধারণকে সচেতন করতে হবে। The Daily Star
  5. জনসচেতনতা এবং দুর্যোগ প্রশিক্ষণ
    সাধারণ মানুষকে ভূমিকম্প-প্রশিক্ষণ দেওয়া, স্কুল, অফিস ও আবাসিক এলাকায় “earthquake drill” চালানো এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রস্তুতি বাড়ানো যেতে পারে।
  6. অবিরাম গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ
    স্থায়ীভাবে সিসমিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র গঠন করা যেতে পারে এবং প্লেট গতি ও ফল্ট লাইনের গতিবিধি নিয়মিত মাপা উচিত।

Discover more from পথের দাবী

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Share post:

Subscribe

Popular

More like this
Related

মহাকাল

সন্তু মিত্র ক্লান্তিহীন আকাশ,বহমান ইতিহাসের নীরব সাক্ষী।কবির কল্পনা সেখানে অবাধে...

‘অসম্পূর্ণ জাতীয় সংসদ’ কবে সম্পূর্ণ হবে

লেখক সোহরাব হাসান সাংবাদিক ও কলামলেখক atOptions = { ...

মানবিক মর্যাদাপূর্ণ ও বাসযোগ্য নগরের স্বপ্ন কতদূর!

ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল সম্পাদক, পরিবেশ বার্তা। মানবিক মর্যাদাপূর্ণ ও বাসযোগ্য...

রিচার্ড উলফ: ইউরোপের নেতারা কেন রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ উসকে দিচ্ছেন?

রিচার্ড উলফ: ইউরোপের নেতারা কেন রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ উসকে...