

বিনা বিচারে ৬০০ দিন ধরে জেলে বন্দী মেলরি বমের এই গল্প কি ‘নতুন বাংলাদেশের’ ‘স্বাধীন গণমাধ্যম’ প্রকাশ করতে পারবে?-কল্লোল মোস্তফা
atOptions = { ‘key’ : ‘d4b71ffb48db14b1e7ea33920f035391’, ‘format’ : ‘iframe’, ‘height’ : 60, ‘width’ : 468, ‘params’ : {} };“বাকত্লাই পাড়ার অধিবাসী মেলরি বম দুই ভাই ও ছয় বোনের পরিবারে বড় হয়েছেন। অন্যান্য ভাইবোনেরা নিজেদের মত আলাদা হয়ে গেলে মেলরি তার প্রতিবন্ধী ছোটবোন সহ বাবা মাকে দেখাশোনা করার জন্য একসাথেই থাকতেন।
২০১৯ সালের দিকে মেলোরি বমের মা মৃত্যুবরণ করেন।২০২২ সালের দিকে প্রতিবন্ধী ছোটবোনটি বড়দিদির বাসা, বেথেল পাড়ায় থাকতে শুরু করেন। ফলে মেলরি প্রায়ই তার ছোটবোনের সাথে বেথেল পাড়ায় এসে থাকতেন।
বাকত্লাই পাড়ায় সত্তরোর্ধ্ব বাবা আর বেথেল পাড়ায় ছোটবোন থাকায় তাকে প্রায় সবসময়ই এই দুই গ্রামে আসা-যাওয়ার মধ্যেই থাকতে হত।
এরই মধ্যে ৪ এপ্রিল, অর্থাৎ রুমা-থানচি ব্যাংক ডাকাতির ঘটনার ২ দিন পর তিনি বেথেল পাড়ায় আসেন ছোটবোনের জন্য কিছু বাজার করে দিতে এবং তার প্রতিবন্ধী ভাতার কিছু কাজ করতে। এ সময়েই ৮ তারিখ বেথেল পাড়া থেকে তিনি গণগ্রেফতারের শিকার হন। বর্তমানে তিনি বান্দরবান জেলা কারাগারে আছেন।
বিনা বিচারে আটক হওয়া মেলরি বমের জামিনের জন্য প্রায় বছরখানেক ধরে প্রথমে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, পরে জেলা জজ কোর্ট হয়ে হাইকোর্টে আপিল করা হয়। ২৬ মে ২০২৫ তারিখে মেলোরিসহ চার জনের জামিন উচ্চ আদালত মঞ্জুর করে।
কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে ৩ জুন ২০২৫ চেম্বার কোর্ট থেকে সেই জামিন স্থগিত করে দিলে তাঁদের মুক্তির পথ বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট,পরে জেলা জজ কোর্ট হয়ে হাইকোর্টে জামিনের মামলা চলমান রয়েছে।”
Melory Bom case
Bawm community rights
Indigenous rights Bangladesh
Arbitrary arrest in Bangladesh
Chittagong Hill Tracts human rights
Bandarban detention case
Bangladesh justice system failure
High Court bail suspension Bangladesh
Unlawful detention Bangladesh
CHT indigenous community issues





