শিশির মল্লিকের ‘নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে দূরত্বে’
লাবণী মণ্ডল

কবিতা নিছক শব্দের বুনন নয়; মানুষের অবচেতন মনের গহিনে লুকিয়ে থাকা বোধ, দর্শন ও পারিপার্শ্বিক বাস্তবতার শৈল্পিক রূপায়ণ। সমাজ, রাষ্ট্র, প্রেম ও মহাজাগতিক বিস্তৃতির এক অপূর্ব ক্যানভাস তৈরি করেন প্রকৃত কবি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিকথা প্রকাশনী থেকে মুদ্রিত ‘নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে দূরত্বে’ কাব্যগ্রন্থ কবিতাপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য উপহার। প্রচ্ছদশিল্পী হিসেবে কবি শিশির মল্লিকের নিজের আঁকা ছবি এবং বইটির সুসজ্জিত বিন্যাস প্রথম দর্শনেই পাঠকের মননশীলতাকে আকর্ষণ করে। ৬৪ পৃষ্ঠার এই গ্রন্থে সন্নিবেশিত কবিতাগুলো দীর্ঘ এক যুগের লালিত স্বপ্নের ফসল। এখানে আবেগ ও বুদ্ধিবৃত্তির এক মেলবন্ধনের দেখা মিলে।
গ্রন্থটির শুরুতেই ‘ডানার ঝাপট’ কবিতায় কবি এক চিরন্তন দার্শনিক প্রশ্নের অবতারণা করেছেন। নিজের অস্তিত্বের তাৎপর্য খুঁজতে গিয়ে তিনি অপরের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করেছেন। ‘তুমি আছ বলেই কি আমি সুন্দর / আমার জ্বলে থাকা? / নাকি আমার জন্যে তোমার উপস্থিতি…’ এই পঙ্ক্তিমালা মানবীয় সম্পর্কের এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক রূপ তুলে ধরে। দর্শনশাস্ত্রে অস্তিত্ববাদ সবসময়ই মানুষের একাকিত্ব ও অপরের সাপেক্ষে নিজের মূল্যায়নের কথা বলে। এখানেও আমরা দেখি, মহাবিশ্বের এই অসীম শূন্যতায় মানুষ তার পারিপার্শ্বিকের সাপেক্ষেই নিজের অর্থ খুঁজে ফেরে। এই আপেক্ষিকতার সূত্র ধরে কবি বিবর্তনের কথা বলেছেন, বলেছেন প্রবৃত্তির যৌগিক টানের কথা। ক্লান্তিকালীন ডানার ঝাপটা আসলে মানবজাতির চিরন্তন সংগ্রামেরই রূপক।
‘তুমি কি আমার জন্যে?’ কবিতায় এই মহাজাগতিক বিস্ময় আরও প্রগাঢ় রূপ ধারণ করে। নক্ষত্রচ্যুত অগ্নি বলাকার পতনকে কবি নিজের অস্তিত্বের সাথে মিলিয়ে দেখতে চেয়েছেন। অসীম শূন্যতায় মহাজাগতিক বস্তুর ঘূর্ণন, জ্যামিতিক আকারহীনতা এবং ভ্রূণের জন্মপ্রক্রিয়া—সব মিলিয়ে এক পরাবাস্তব আবহ তৈরি হয়। মানুষ ক্ষুদ্র, মহাবিশ্ব বিশাল। এই হ্রস্বতার সাথে দীর্ঘতার টানাপোড়েন কবিকে মুগ্ধ করে। নিজের জন্মবিভ্রাট নিয়ে তাঁর এই সংশয় মূলত পুরো মানবজাতিরই আত্ম-অন্বেষণের প্রতিচ্ছবি।
নাগরিক বিচ্ছিন্নতা ও যান্ত্রিক সভ্যতার দহন
আধুনিক জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো মানুষের পারস্পরিক বিচ্ছিন্নতা। প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষ মানুষকে দৃশ্যত কাছাকাছি আনলেও মানসিকভাবে যোজন যোজন দূরে ঠেলে দিয়েছে। ‘মুঠোফোনের শাব্দিক সংকেত’ কবিতায় এই বেদনাবিধুর বাস্তবতার নিখুঁত চিত্রায়ণ ঘটেছে। একসময় মানুষ প্রিয়জনের সান্নিধ্য পেতে মাইলের পর মাইল মেঠোপথ পাড়ি দিত। সেখানে ছিল সবুজের সমারোহ, শারীরিক ঘ্রাণ ও উষ্ণতা। বর্তমানের যান্ত্রিক নগরজীবনে সেই আবেগের জায়গা দখল করেছে মুঠোফোনের যান্ত্রিক শব্দ। চারপাশে সহস্র মানুষের ভিড়, ভেতরে চরম একাকিত্ব।
এই একাকিত্বের চরমতম প্রকাশ দেখা যায় ‘বন্ধ ঘরে একা’ কবিতায়। দরজা বন্ধ করে রাখা মানুষটি আসলে আধুনিক শহুরে মানুষেরই প্রতীক। চারপাশে অসংখ্য পরিচিত মুখ, কেনাবেচার সম্পর্ক; এর মাঝেও মানুষ নিজের চারপাশ ঘিরে এক অদৃশ্য দেয়াল তুলে রাখে। সে একা একা স্বপ্ন বোনে, একা গান গায়। এই অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তির আশায় সে পূর্ণিমার অপেক্ষায় থাকে। মানুষের এই স্বেচ্ছানির্বাসন ও আত্মমগ্নতা বর্তমান সমাজকাঠামোর এক ভয়াবহ মনস্তাত্ত্বিক সংকটের দিকেই আঙুল তোলে।
পুঁজিবাদের ফাঁদ ও সাম্যবাদের স্বপ্ন
সমালোচক অনার্য নাঈম অত্যন্ত তীক্ষ্ণভাবে লক্ষ করেছেন শিশির মল্লিকের কবিতার অন্তর্নিহিত দর্শনটিকে। কবি শুধুমাত্র রোমান্টিক ভাবালুতায় ভাসেননি, সমাজকাঠামোর নিপুণ ব্যবচ্ছেদ করেছেন। ‘স্রোতস্বিনী’ ও ‘ব্রহ্মপুত্রের জল’ কবিতায় আমরা এই সমাজসচেতনতার প্রকাশ দেখতে পাই। প্রকৃতি তার নিজস্ব নিয়মে বয়, কৃষকের মাঠে ফসল ফলায়। বাজারভিত্তিক অর্থনীতি সেই সতেজ প্রাণোচ্ছলতাকে গ্রাস করে নেয়। ‘মাছের মতো ঝাঁকে ঝাঁকে পাতানো জালে / আটকে যায় রূপোলি জীবন’ এই লাইনগুলো আধুনিক কর্পোরেট দাসত্ব ও পুঁজিবাদের অদৃশ্য জালের দিকেই নির্দেশ করে। মানুষ আজ স্বপ্ন পূরণের নামে এক মরীচিকার পেছনে ছুটছে এবং পরিশেষে শোষকশ্রেণির পাতা জালে আটকে পড়ছে। শাসকগোষ্ঠী নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে যুগ যুগ ধরে এই জাল বিছিয়ে রেখেছে।
এতসব নৈরাশ্য ও শোষণের মাঝেও কবি স্বপ্ন দেখেন এক সাম্যবাদী পৃথিবীর। ‘আশ্বাস’ কবিতায় তাঁর এই প্রত্যয় অত্যন্ত সুস্পষ্ট। ধূসর মেঘের বুক চিরে বেরিয়ে আসা এক চিলতে রুপালি আলো তাঁকে আশাবাদী করে তোলে। তিনি বিশ্বাস করেন, একদিন এই পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ—‘সোনালি শস্যের ভাগাড়’—সকল মানুষের মাঝে সমবণ্টন হবে। এই সাম্যবাদী চেতনা কবিতাটিকে এক অনন্য উচ্চতা দান করেছে। ব্যক্তিগত বিরহ বা হতাশার গণ্ডি পেরিয়ে কবিতা এখানে হয়ে উঠেছে শোষিত মানুষের অধিকার আদায়ের এক নান্দনিক ইশতেহার।
মানুষের ইতিহাস কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি একটি প্রবহমান নদী। ‘প্রত্যয়’ কবিতায় কবি মানবসভ্যতার এই দীর্ঘ পথপরিক্রমাকে তুলে ধরেছেন। মহেঞ্জোদারো, হরপ্পা থেকে শুরু করে মিশর, গ্রিস, রোম হয়ে আধুনিক প্যারিস বা প্রাচ্যের সবুজ উপত্যকা—সর্বত্রই মানুষের পদচারণা। এই হাঁটা কখনো থামেনি। মানুষ বেহেশতের কাল্পনিক বর্ণনা থেকে বেরিয়ে এসে এই মর্ত্যলোকেই প্রাচুর্যের ঠিকানা গড়তে চাইছে। মানবীয় চেতনার এই অসীম শক্তি কবিকে মুগ্ধ করে।
‘পুনরুজ্জীবন’ কবিতায় আমরা দেখি এক অন্যরকম রূপান্তর। গ্রাম ক্রমশ ধেয়ে যাচ্ছে নগরের দিকে। নগরায়ণের এই আগ্রাসী থাবায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সারল্য। কবি পুরোনো দিনের ধসে যাওয়া নগরের কংকালের মাঝে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের উত্তর খোঁজেন। এই ধ্বংসস্তূপের মাঝেই লুকিয়ে থাকে নতুন জীবনের বীজ। মানুষের ভেতরের না-পাওয়া, আক্ষেপ আর জিঘাংসাগুলো কি এভাবেই চলতে থাকবে? আগামী প্রজন্মের কাছে আমরা কেমন পৃথিবী রেখে যাচ্ছি—এই প্রশ্নগুলো পাঠককে গভীরভাবে ভাবিয়ে তোলে।
প্রতিটি মানুষের ভেতরেই একাধিক সত্তার বসবাস থাকে। ‘সে ও আমি’ কবিতায় এই মনস্তাত্ত্বিক দ্বৈততার চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে। বাইরের পৃথিবীতে একজন মানুষ অত্যন্ত সাদাসিধে ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করে। তার ভেতরের সত্তাটি তাকে উসকে দেয়, তাকে পৃথিবীর সম্রাট হওয়ার স্বপ্ন দেখায়। বাস্তবতার সীমাবদ্ধতা ও স্বপ্নের বিশালতার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা এই মানুষের মানসিক টানাপোড়েন এখানে নিপুণভাবে চিত্রিত হয়েছে।
‘আত্মমগ্ন বৃক্ষের ধ্যান’ কবিতায় আমরা দেখি এক পরাবাস্তব স্থিরতা। বন্ধ্যা বৃক্ষ ফুল ও ফলের আশায় রোদ-বৃষ্টি সহ্য করে দাঁড়িয়ে থাকে। ঈশ্বর হাসেন, পাখিরা ডাল ছেড়ে চলে যায়। এই নিঃসঙ্গ ও বন্ধ্যা বৃক্ষ আসলে সেইসব সংগ্রামী মানুষের প্রতীক, যারা শত বঞ্চনা ও অবহেলার পরও নিজেদের ধ্যানে অবিচল থাকে। তারা আত্মমগ্নতায় সেঁজুতি জ্বালে। চরম অনিশ্চয়তার মাঝেও এই আত্মমগ্নতা মানুষের বেঁচে থাকার এক অদ্ভুত প্রেরণা।
প্রেম, বিরহ ও প্রকৃতির মিথষ্ক্রিয়া
শিশির মল্লিকের কবিতায় প্রেম এসেছে খুবই পরিণত ও পরিশীলিত রূপে। এখানে আবেগের চেয়ে উপলব্ধির গভীরতা বেশি। ‘অবান্তর’ কবিতায় রূপ ও কামনার অসীমে ডুবে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই ডুব দেওয়া কেবল শারীরিক নয়, এক মহাজাগতিক শূন্যতায় নিজেকে সমর্পণ করা। বেদনার আগুনে পুড়ে কবি অমরত্বের সন্ধান করেন।
‘দহন’ কবিতায় প্রেমের এক ভিন্ন রূপ পরিলক্ষিত হয়। অবজ্ঞার হাসিতে সৃষ্ট অন্তর্দহন পদ্মার চরের মতো বিস্তীর্ণ রূপ ধারণ করে। এখানে ক্ষোভ আছে, প্রত্যাখ্যানের জ্বালা আছে। এই জ্বালা জুড়ানোর জন্য মানুষ প্রকৃতির কাছে ফিরে যেতে চায়। ‘নির্জন হ্রদের কিনারে’ কবিতায় সেই প্রকৃতির আশ্রয়ের কথা বলা হয়েছে। হ্রদের নির্জনতায়, জলের ঘনত্বে ও ঢেউয়ের কাঁপনে মানুষ নিজের প্রতিবিম্ব দেখে। মহাকাব্যিক ব্যাপ্ততায় জড়ত্বের এই নীরব ভাষা শব্দহীন প্রণয়ের মাতম তোলে।
শব্দচয়নে কবি অত্যন্ত পরিমিতিবোধের পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর কবিতায় কোনো অহেতুক মেদ বা অতিকথন নেই। তিনি চিত্রকর হওয়ার সুবাদে তাঁর কবিতায় ভিজ্যুয়াল ইমেজারির বা দৃশ্যমান রূপকল্পের এক অপূর্ব ব্যবহার লক্ষ করা যায়। ‘শাশ্বত’ কবিতায় তিনি চরম সত্য ও সুন্দরকে ‘শিল্পের অশরীরী অপ্সরা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। মোহাবিষ্ট হয়ে সেই অরূপ আঁধারে ছুটে চলার মাধ্যমেই শিল্পের প্রকৃত সার্থকতা নিহিত।
‘কর্কটকান্তি’ বা ‘দ্বিধার সিম্ফনি’র মতো কবিতাগুলোতে তিনি আধুনিক সভ্যতার সংকটকে তুলে ধরতে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী শব্দ ব্যবহার করেছেন। ‘সভ্যতার উদ্ভাবিত বিষ’, ‘স্থিরতার আত্মসমৃদ্ধি’, ‘বিবর্তনের ঘূর্ণন’—এ ধরনের শব্দগুচ্ছ পাঠকের চিন্তার জগতকে আলোড়িত করে। তাঁর ভাষা একই সাথে ধ্রুপদী ও আধুনিক। তিনি অবলীলায় ব্রহ্মপুত্র নদীর শান্ত রূপের সাথে আধুনিক প্রযুক্তির আগ্রাসনকে একই ক্যানভাসে স্থান দিতে পারেন।
হানিফ রাশেদীনের ভাষায়, শিশির মল্লিকের কবিতায় জীবনকে নানা দিক থেকে দেখার এক গভীর বিশ্লেষণ রয়েছে। এই বিশ্লেষণ মস্তিষ্ককে আলোড়িত করে। মানুষে মানুষে যোগসূত্র ও মানবিক দৃষ্টিকোণের যে কথা হানিফ রাশেদীন বলেছেন, তা পুরো গ্রন্থজুড়েই দীপ্যমান। অপরের সাপেক্ষে নিজেকে চেনার এই প্রক্রিয়া মানুষকে শুদ্ধতম রূপে রূপান্তরিত করে।
বইটির নামকরণেও এক গাণিতিক ও দার্শনিক অর্থের সন্ধান পাওয়া যায়। ‘নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে দূরত্বে’—এই বিন্দু হতে পারে মানুষের জন্ম, হতে পারে কোনো নির্দিষ্ট আদর্শ, সম্পর্ক অথবা মহাজাগতিক কোনো কেন্দ্র। আমরা প্রতিনিয়ত সেই কেন্দ্র থেকে দূরে সরে যাচ্ছি, আবার কখনো হয়তো বৃত্তাকার পথে ঘুরতে ঘুরতে সেই বিন্দুতেই ফিরে আসার চেষ্টা করছি। এই অনন্ত পরিক্রমাই হলো মানবজীবন।
কবির আক্ষেপ, মানুষ এখনো সেই আদিম আগুনের পাশেই শুয়ে আছে। সভ্যতার খোলস বদলালেও ভেতরের প্রবৃত্তি ও লড়াইয়ের খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। এই স্থবিরতা ভাঙার জন্যই হয়তো তিনি সাহিত্যের নানা শাখায় বিচরণ করেন। একটি বাসযোগ্য পৃথিবীর স্বপ্ন তাঁর প্রতিটি পঙ্তিতে অনুরণিত হয়।
‘নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে দূরত্বে’ কেবল একটি কবিতার বই নয়; এটি সমসাময়িক মানুষের মনস্তাত্ত্বিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকটের এক সুতীক্ষ্ণ দলিল। শিশির মল্লিক তাঁর শব্দশৈলী ও দার্শনিক উপলব্ধির মাধ্যমে এমন এক জগৎ নির্মাণ করেছেন, যেখানে পাঠক নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার সুযোগ পান। এখানে বিরহের হাহাকার যেমন আছে, তেমনি আছে সমাজের অসংগতি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ। প্রকৃতির স্নিগ্ধতার পাশাপাশি আছে যান্ত্রিক শহরের রুক্ষতা।
যারা কবিতায় নিছক ছন্দ বা রোমান্টিসিজমের বাইরে গিয়ে জীবনের গূঢ় অর্থ, সমাজবাস্তবতা ও অস্তিত্বের লড়াইয়ের সন্ধান করেন, তাদের এই বইটি চিন্তার খোরাক জোগাবে। পাঠককে ভাবিয়ে তোলার, তাঁর বোধকে তীক্ষ্ণ করার এবং চারপাশের পৃথিবীকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখতে সাহায্য করার বিবিধ উপাদান এই গ্রন্থে বিদ্যমান।

লাবণী মণ্ডল
লেখক ও সাংস্কৃতিক কর্মী




